Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts
Showing posts with label ইন্টারনেট. Show all posts

25 October 2008

বাংলাদেশে ফ্রী ফোন


প্রায় প্রত্যেক প্রবাসী বাংলাদেশে টাকা দিয়ে ফোন করার সামর্থ্য রাখলেও অনেকেই ফ্রী ফোন করার সুযোগ খোঁজেন। আর এরকম এক সুযোগ এখন হাতের মুঠোয়। পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে বাংলাদেশের ল্যান্ডলাইনে ৫ মিনিট ফ্রী কথা বলুন। সেই সাথে ফ্রী কথা বলতে পারবেন আরো অনেক দেশে। সেগুলোর লিস্ট হলো
Andorra
Australia
Austria
Bahamas (+mobile)
Bangladesh
Belgium
Bermuda (mobile)
Brunei Darussalam (+mobile)
Bulgaria
Canada
Chile
China (mobile)
Croatia
Cyprus (+mobile)
Czech Republic
Denmark
Estonia
Finland
France
Germany Greece
Guadeloupe
Hong Kong (+mobile)
Hungary
Iceland
Ireland
Israel
Italy
Japan
Jordan
Latvia
Liechtenstein
Lithuania
Luxembourg
Macao (+mobile)
Malaysia (mobile)
Martinique
Monaco
Netherlands
New Zealand Norway
Panama
Peru
Poland
Portugal
Puerto Rico (+mobile)
Romania
Russian Federation
Singapore (+mobile)
Slovenia
South Korea (+mobile)
Spain
Sweden
Switzerland
Taiwan
Thailand (+mobile)
United Kingdom
United States (+mobile)
Venezuela

প্রথমে lowratevoip.com সাইটে যেয়ে ওদের অফার করা সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। তারপর ইনস্টল করে নতুন একাউন্ট তৈরি করে ফ্রী কল করা শুরু করুন।

টিপসঃ প্রতি ফ্রী একাউন্টে ৫ মিনিট করে কথা বলা যায়। তাই তুলনামূলক বেশি কথা বলতে পরপর একাধিক একাউন্ট ব্যাবহার করুন।

আবশ্যকীয়ঃ কম্পিউটার, ইন্টারনেট কানেকশান, স্পীকার-মাইক্রোফোন/ হেডফোন।

27 June 2008

ইয়াহু’র নতুন অফার


মাত্র কয়েক দিন হলো ইয়াহু এই প্রথমবারের মতো ymail এবং rocketmail নামের নতুন দুটি এক্সটেনশান চালু করেছে। যারা ইয়াহু ব্যাবহার করেন অথচ নিজের কাঙ্খিত নামে ই-মেইল এড্ড্রেস পাননি তারা ঐ দুটি এক্সটেনশানের যে কোন একটি তে চেষ্টা করে দেখতে পারেন। ইয়াহু’র সকল সুবিধা আপনি এ দুটিতে পাবেন। যারা অনেক দিন হলো ইন্টারনেট ব্যাবহার করছেন তাদের কাছে rocketmail নামটি হয়তো পরিচিত। কারন এটি ইন্টারনেটের শুরুর দিকের একটি ফ্রী ই-মেইল প্রোভাইডার। ১৯৯৭ সালে ইয়াহু এটি কিনে নেয়। আগে যারা rocketmail ব্যাবহার করতেন তাদের কাছে এই অফার পুরনো স্মৃতিকে মনে করিয়ে দেবে। Ymail হলো gmail এর মতো yahoo mail এর সংক্ষিপ্ত রূপ। gmail শুরুর পর থেকে এর জনপ্রিয়তার কারনে ইয়াহু’র জনপ্রিয়তা কিছুটা কমে যায়। পুরনো অবস্থানে ফিরে জেতে ইয়াহু’র এত পদ্ধতির অবলম্বন। এই দুই বড় কর্পোরেশানের প্রতিযোগীতার লড়াইয়ে সাধারন ভোক্তাদের তারা সবসময়েই নানান সুবিধা দিচ্ছে। তাই, আপনি ইয়াহু’র নতুন এক্সটেনশান দুটি পরখ করে দেখতে পারেন। লিংক এইখানে।

04 January 2008

মাত্র একটি ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে সব ম্যাসেঞ্জার চালান


আবারও সেই একই ঘটনা। ইন্টারনেটের মাধ্যমে যখন বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়-স্বজনদের সাথে চ্যাট করি, মাঝে মাঝেই সমস্যায় পড়তে হয়। কারন, একেক জনের একেক ম্যাসেঞ্জার। তাই কোন এক উইকএন্ডে প্রয়োজনীয় প্রায় সব ম্যাসেঞ্জার ডাউনলোড করি এবং রেজীষ্ট্রেশান করি।

কিন্তু তারপরেও ঝামেলা। সবগুলো একসঙ্গে চালু রাখলে দেখতে বিশ্রী লাগে আর মনে হয় নেট স্পীডও কমে যায়।

এই সমস্যা দূর করতে মাঝখানে কয়েকদিন ট্রিলিয়ান ব্যাবহার করেছিলাম। কিন্তু ইংরেজি ছাড়া অন্য ল্যাংগুয়েজ সাপোর্ট করেনি বলে ব্যাবহারের সীমাবদ্ধতা থেকেই যাচ্ছিল।

ইচ্ছা থাকলেই যেমন উপায় হয়। তেমনি আবার পেয়ে গেলাম নতুন আর একটি ম্যাসেঞ্জার সফটওয়্যার। নাম মিরান্ডা। এটাকে প্রায় ওপেন সোর্সই বলা যায়। আমার যেমন ইচ্ছা তেমন করে এটিকে আমি সাজিয়ে নিয়েছি। নামও দিয়েছি Rummon Messenger (আপনি আপনার বা যেকোন নাম দিতে পারেন) । এটি একসঙ্গে AIM, Jabber, ICQ, IRC, MSN, Yahoo, Gadu-Gadu, Gtalk, Skype সহ অনেক আন-পপুলার ম্যাসেঞ্জার সাপোর্ট করে। তাই এই সবগুলোকে মিরান্ডায় একসঙ্গে ব্যাবহার করা যায়।

আমি ব্যাক্তিগত ভাবে Yahoo, Gtalk, ICQ, Skype, IRC এবং Mail.ru Agent ব্যাবহার করি। এখন মিরান্ডায় আমি এর সবগুলো একসাথে ব্যাবহার করতে পারছি। আর মিরান্ডা খুবই ছোট এবং স্লীম সফটওয়্যার বিধায় এর ব্যাবহারও খুব দ্রুত করা যায়।

এইখান থেকে মিরান্ডা ডাউনলোড করুন।

যদি ইন্সটলেশানের কোন সমস্যা হয়, বরাবরের মত আমাকে মেইল করুন বা কমেন্টস্‌ এ সমস্যার কথা লিখুন।

07 December 2007

ক্যামেরা ফোন দিয়ে ওয়েবক্যাম


অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে ছিল একটা ওয়েবক্যাম কেনার। দেশের বাইরে থাকার কারনে প্রায়ই বন্ধু-বান্ধব এবং পরিবারের সদস্যদের সাথে ইন্টারনেটে বিভিন্ন ম্যাসেঞ্জারের (YAHOO/MSN, ICQ, SKYPE, PALTALK, GOOGLE TALK, TRILLIAN) মাধ্যমে চ্যাট করি। বাংলাদেশে ভয়েস চ্যাট করতে গেলে, আমার কথা তারা স্পষ্ট শুনতে পায়। কিন্তু আমি তাদের কথা কিছুই শুনতে পাইনা। কারন জানিনা। তবে VOIP বন্ধের কারনেও হতে পারে। তাই আমি মাইক্রোফোনের মাধ্যমে কথা বলতাম আর বাংলাদেশ থেকে লিখে লিখে চলতো প্রশ্নত্তোর পর্ব।

সবকিছু ঐ ভাবে চললেও একটা ওয়েবক্যামের জন্য আমার চ্যাটিং অসম্পুর্ন থেকে যাচ্ছিল। বাংলাদেশে যদি আমার ভয়েস শুনতে পায়, তবে ছবিও নিশ্চয় দেখতে পাবে। তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক দিন হলো কিনব কিনব করেও ক্যাম কেনা হয় নি।

এর মধ্যে হঠাৎ ইন্টারনেটে সন্ধান পেলাম চমৎকার এই সফট্‌ওয়্যারটির। নোকিয়ার 40, 60 এবং N সিরিজের (নোকিয়ার অন্য যে কোন স্মার্টফোনেও ট্রাই করতে পারেন তবে অবশ্যই ব্লু-টুথ থাকতে হবে) মোবাইল ফোনে এবং আপনার কম্পিউটারে এই সফটওয়্যারটি ইন্সটল করে নিলে, মোবাইল ফোনের ক্যামেরা হুবহু ওয়েবক্যামের মত কাজ করে। আমার নিজের মোবাইল ফোন নোকিয়া-৩২৩০। এটাতে চমৎকার কাজ করছে। সবচেয়ে বড় সুবিধে, এই ওয়েবক্যাম হবে সম্পুর্ন ওয়্যারলেস। যদি আপনার কম্পিউটারের USB Bluetooth- এর রেঞ্জ বেশি হয় তবে আপনার ফোন দূর থেকেও ব্যাবহার করা যাবে।

ইন্সটলেশনঃ ইন্টারনেটে এই সাইট থেকে ফ্রী সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করুন। এটি ইন্সটলেশনের সময় এবং পরবর্তিতে ব্যাবহারের জন্য আপনার কম্পিউটারে অবশ্যই USB Bluetooth থাকতে হবে। সফটওয়্যারটি প্রথম অংশ কম্পিউটারে ইন্সটলেশনের পর অটোমেটিক্যালি Bluetooth এর মাধ্যমে দ্বিতীয় অংশ ইন্সটলের জন্য আপনার মোবাইল ফোন কে খুঁজবে। এই সময়ের আগেই আপনার মোবাইল ফোনের Bluetooth অন করে রাখুন। তাতে আপনার কম্পিউটার চট করে মোবাইল ফোন খুঁজে পাবে। এবং একটি টেক্সট মেসেজ পাঠাবে। মোবাইলের ঐ মেসেজ ওপেন করুন এবং ইন্সটল করুন। মোবাইলের মেইন মেন্যুতে নতুন একটি আইকন দেখতে পাবেন। সেটি ওপেন করুন। সেই সঙ্গে কম্পিউটারের সফটওয়্যারটিও অপেন করুন। এখন মোবাইলের ওপেন করা ঐ সফটওয়্যারটির অপশনে গিয়ে Bluetooth এর মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারকে চিনিয়ে দিন। দেখবেন, আপনার মোবাইল ফোন এখন ওয়েবক্যাম এর মতো কাজ করছে।

আবশ্যকীয়ঃ

[*] নোকিয়ার 40, 60 এবং N সিরিজের মোবাইল ফোন। (অথবা নোকিয়ার যে কোন SMARTPHONE)

[*] কম্পিটারের জন্য USB Bluetooth ডিভাইস।

[*] কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের কানেকশন

বিঃ দ্রঃ ইন্সটলেশনের সময় কোন সমস্যা হলে বিস্তারিত জানিয়ে নিশ্চিন্তে আমাকে মেইল করুন অথবা কমেন্টস্‌ এ গিয়ে জানান।

30 September 2007

আরো কয়েকটি ফ্রী ফোন করার সফটঅয়্যার


ইন্টারনেট ব্যাবহার করে আমেরিকা, কানাডা এবং ইউরোপে ফ্রী ফোন করার আরো কয়েকটি সফটঅয়্যারের খোঁজ পেলাম। এই সফটঅয়্যারগুলির ইন্টারফেস এবং ব্যাবহার পদ্ধতি একই রকম।

এই সফটঅয়্যারগুলির ওয়েবসাইটে যেয়ে রেজিস্ট্রেশন করে সফটঅয়্যাটি ডাউনলোড করুন।

টিপস্‌ - মাত্র একটি একাউন্ট থেকে যে পরিমান কথা বলা যায়, একাধিক একাউন্ট থেকে আনুপাতিক হারে তার বেশি কথা বলা যায়। তাই একাধিক একাউন্ট ব্যাবহার করুন।

ইন্টারনেট কলস্‌

লো রেট ভিওআইপি

জাস্ট ভিওআইপি

ভিওআইপি বাস্টার

27 September 2007

একই উইন্ডোতে সকল ই মেইল একসঙ্গে


যারা ইন্টারনেট নিয়মিত ব্যাবহার করেন, তাদের প্রায় প্রত্যেকেরই নামে-বেনামে একাধিক ইমেইল এড্ড্রেস থাকে। সংখ্যাটি কম বেশি যাই হোক না কেন, বারবার লগইন আর সাইনআউটের ঝামেলা কেউ চায় না। পপ্‌ পীপার নামের এই ছোট্ট সফট্‌অয়্যারের মাধ্যমে একাধিক ইমেইল এড্ড্রেস থেকে একই উইন্ডোতে সব ইমেইল চেক করা যাবে। এতে সাধারন যে কোন ইমেইল প্রোভাইডার ইয়াহু, হটমেইল বা জিমেইল এর মত সুবিধা পাওয়া যাবে। আপনি এখান থেকেই আপনার যেকোন এড্ড্রেসের ইমেইল কম্পোজ, রিপ্লাই, ফরোয়ার্ড করতে পারবেন।

পপ্‌ পীপার POP3, IMAP, Hotmail/MSN, Yahoo, Mail.com, MyWay, Excite, Rediffmail, Lycos, Gmail, Juno/Netzero ’র ইমেইল এড্ড্রেস সাপোর্ট করে। আপনার যদি উপরে উল্লেখিত যেকোন ইমেইল প্রোভাইডারের একই সঙ্গে বা আলাদা ভাবে একাধিক ইমেইল এড্ড্রেস থাকে তবে আপনি সবগুলো পপ্‌ পীপারে এড্‌ করতে পারেন।

একেবারে ফ্রী এর সফট্‌অয়্যারটি এইখান থেকে ডাউনলোড করুন।

24 September 2007

ইউটিউব থেকে ভিডিও ডাউনলোড


অনেকেই ইউটিউব বা গুগল ভিডিও থেকে বিভিন্ন ভিডিও দেখে থাকেন। কিন্ত অনেক ক্ষেত্রে পছন্দের ভিডিওটি নিজের কম্পিউটারে ডাউনলোড করা যায়না। এই সমস্যা সমাধানের কিছু উপায়ের একটি হলো এই সফটঅয়্যার। এই সফটঅয়্যার ব্যাবহার করে ইউটিউব, গুগল ভিডিও এবং অন্যান্য বেশ কিছু জনপ্রিয় ভিডিওশেয়ার সাইট থেকে ভিডিও ডাউনলোড করা যায়।

সফটঅয়্যারটি ডাউনলোড করে প্রথমে ffmpeg.exe ফাইলটি চালিয়ে দিন। এটি অটোমেটিক বন্ধ হয়ে গেলে VDownloader.exe ওপেন করুন। ডাউনলোড ট্যাব এ ইউটিউব বা গুগল ভিডিওর URL কপি করে সহজেই ভিডিও ডাউনলোড করুন। অথবা সার্চ অপশনে কাঙ্খিত ভিডিও সার্চ করে সরাসরি ডাউনলোড করুন।

এই সফটঅয়্যারটি এইখান থেকে ডাউনলোড করুন।

অথবা এই URL আপনার ব্রাউজারে কপি করে সরাসরি ঐ সফটঅয়্যারের লোকেশন সাইটে প্রবেশ করুন।
http://www.esnips.com/doc/c0c46578-e66d-43a0-80ad-e05b90943dba/vdownloader

23 September 2007

আমেরিকা এবং কানাডা'তে ফ্রী আনলিমিটেড ফোন করুন


শুধুমাত্র আমেরিকা আর কানাডা’র যেকোন ল্যান্ডফোন বা মোবাইলে বিনামূল্যে আনলিমিটেড কথা বলুন। কোন সফট্‌অয়্যার ইনস্টল করার দরকার নাই। সরাসরি এই সাইটে নাম্বার কপি করে অথবা ডায়ালপ্যাড ব্যাবহার করে ফোন করুন। তবে প্রথমবারে কানেকশান না পেলে হতাশ হবেন না। লাইন কেটে দিয়ে, পেজ রিফ্রেশ করে আবার ডায়াল করুন।

তবে বরাবরের মতো আপনার কম্পিউটারে কমপক্ষে ইন্টারনেট কানেকশন, সাউন্ডকার্ড, স্পীকার এবং মাইক্রোফোন থাকতে হবে।

সবশেষে সবচেয়ে জরুরী কথা হলো, এই সাইটের মাধ্যমে আমেরিকা আর কানাডা’র যেকোন নাম্বারে ফোন করতে কানট্রি কোড ১, ০০১ অথবা +১ ব্যাবহারের কোন দরকার নাই। কানট্রি কোড বাদ দিয়ে বাঁকী ডিজিটগুলো ব্যাবহার করলেই হবে।

এইখানে ক্লিক করে ঐ সাইটে যান।

19 September 2007

ইন্টারনেট ব্যাবহার করে ফ্রী ফোন করুন


অনেকদিন ধরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে শুধুমাত্র মাইক্রোফোন আর স্পীকার ব্যাবহার করে ফ্রী কথা বলার উপায় খুঁজছিলাম। এর মাঝে হঠাৎ পেয়ে গেলাম পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ফ্রী কথা বলার এই সফট্‌অয়্যারটি। এর মাধ্যমে যে সব দেশে ফ্রী কথা বলা যায় সেই দেশগুলো হলো

Argentina
Australia
Austria
Belgium
Canada
Czech Republic
Denmark
France
Germany
Hong Kong(+mobile)
Hungary
Ireland
Italy
Luxembourg
Malaysia
Monaco
Netherlands
New Zealand
Norway
Panama
Poland
Portugal
Puerto Rico(+mobile)
Russian Federation
Singapore
Slovenia
South Korea
Spain
Sweden
Switzerland
Taiwan
United Kingdom
United States(+mobile)

এর মাধ্যমে উপরে উল্লেখিত দেশগুলোতে প্রতি সপ্তাহে তিনশো মিনিট ফ্রী কথা বলা যাবে। তবে আপনার নাম রেজিস্ট্রী করতে হবে।
এইখানে ক্লীক করে এই সফট্‌অয়্যার ডাউনলোড করুন।

22 August 2007

ব্লগিং করুন এবং বিনামূল্যে ব্লগের ভিজিটর বাড়ান


ইন্টারনেটে নিজের মত প্রকাশের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে ওয়েব লগ বা সংক্ষেপে “ব্লগ”। ব্লগে আপনি প্রতিদিনের দিনলিপি, বন্ধু-বান্ধবদের উদ্দেশ্যে মেসেজ, ছবি, অডিও, ভিডিও, কোন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনসহ সকল প্রকার ব্যাক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং বানিজ্যিক ওয়েবসাইটের সকল সুবিধা ব্যাবহার করতে পারেন। তাই একে ব্যাক্তিগত বা বানিজ্যিক যেকোন ভাবে ব্যাবহার করা যায়। পূর্বে এই কাজগুলি করতে ওয়েবপেজ তৈরী করতে হতো। এর জন্য দরকার হতো ওয়েব প্রোগ্রামিং সম্বন্ধে জ্ঞান এবং নিয়মিত পুরো ওয়েবপেজের আপডেট। কিন্তু ব্লগ বদলে দিয়েছে সবকিছু। কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট সম্বন্ধে যার নূন্যতম জ্ঞান আছে সেই ব্যাক্তিও ব্লগিং করতে পারে। ব্লগিং এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো কোন কিছু জানতে বা জানাতে ব্লগার (যে ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্লগ) কে ঘটা করে ই-মেইল করার দরকার নেই। আপনি ব্লগের কমেন্টস্‌ এর ঘরে প্রয়োজনীয় মেসেজ বা নির্দেশ দিতে পারেন। তবে আপনার কমেন্টস্‌ যেহেতু ঐ ব্লগের ভিজিটকৃত সকল ভিজিটররা ইচ্ছা করলে দেখতে পারবে তাই একান্ত ব্যাক্তিগত বা গোপনীয় কোন বিষয়ে কমেন্টস্‌ না লেখাই ভালো।


বর্তমানে সব বিখ্যাত ওয়েবপোর্টাল যেমনঃ গুগল এর ব্লগার, ইয়াহু এর ৩৬০, এমএসএন/লাইভ এর লাইভস্পেস ইত্যাদি সহ প্রায় সকল ওয়েবপোর্টাল সম্পুর্ন বিনামূল্যে ব্লগ তৈরী করার সুবিধা দিচ্ছে। ইংরেজী ব্লগের পাশাপাশি বেশ কিছু বাংলা ব্লগপোর্টালও ইদানিং বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো সামহয়্যার ইন ব্লগ, সচলায়তন, এভারগ্রীন বাংলা, প্যাঁচালি ইত্যাদি। বিষয়ের বিভিন্নতার কারনে ব্লগেরও রয়েছে নানা রকম ফের। যেমনঃ ব্যাক্তিগত ব্লগ, বানিজ্যিক ব্লগ, ট্রাভেল ব্লগ, ফটো ব্লগ, ভিডিও ব্লগ ইত্যাদি।


আপনার ব্লগ তৈরী হলেই আপনি চাইবেন সেটা অন্যে দেখুক। তাই আপনার ব্লগে কতজন ভিজিটর আসবে সেটা একটি গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার। এর উপর নির্ভর করছে সেই ব্লগের জনপ্রিয়তা। সাধারনত আমরা কোন সার্চ ইঞ্জিনে ব্লগের লিংক সাবমিট করে ঐ ব্লগের ভিজিটর বাড়ানোর চেষ্টা করি। এতে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চকৃত শব্দের সাথে আপনার ব্লগের ডিসিক্রিপশন বা মেটা ট্যাগ এর শব্দ মিলে গেলে ঐ সার্চ ইঞ্জিনে যেকোন পাতায় আপনি আপনার ব্লগ এড্ড্রেস দেখতে পাবেন। কিন্তু বেশি ভাগ ক্ষেত্রে এটিকে বিনামূল্যে পাওয়া সম্ভব হয় না। আবার অনেক সময় ইচ্ছা থাকলেও টেকনিক্যাল কারনে (ক্রেডিট কার্ড বা পে-প্যালের মাধ্যমে টাকা পাঠানো) সম্ভব হয় না। এ ক্ষেত্রে একটি ব্যাপার বলে রাখা ভাল যে, হয়তো আপনি প্রতিদিন একশ নতুন ভিজিটর পাবেন। কিন্তু তারা কি পূনরায় আপনার ব্লগ ভিজিট করবে? পুরনো ভিজিটরের আপনার ব্লগে পূনরায় ভিজিট করা কে আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তা প্রমান করে। আসুন দেখা যাক কিভাবে বিনামূল্যে আপনার ব্লগের ভিজিটর এবং জনপ্রিয়তা বাড়াবেন।


[*] আপনি যখন অন্যের ব্লগ ভিজিট করবেন, ভাল-মন্দ যা-ই মনে আসে তা-ই কমেন্ট করুন। আপনি ঐ একই ব্লগ পোর্টালের ব্লগার হলে এবং লগইন করা থাকলে আপনার নিক এর নিচে আন্ডারলাইন হয়ে আপনার ব্লগ এড্ড্রেস (url) দেখাবে। অন্য সাইটের ব্লগার হলে নাম এর পর অবশ্যই আপনার ব্লগ এড্ড্রেস (url) রেখে আসবেন। এতে ঐ ব্লগার এবং কমেন্ট দর্শনকারীরা অনেকেই আপনার ব্লগ ভিজিট করবে।


[*] দৈনন্দিন জীবনের নিত্য নতুন বিষয় নিয়ে লিখুন। লেখার মধ্যে বৈচিত্র রাখুন। চিন্তা করে দেখুন আপনার আশেপাশের মানুষ কী নিয়ে ভাবছে। অন্যান্য ব্লগ ভিজিট করেও আপনার চিন্তার খোরাক যোগাতে পারেন। অনেক সময় দেখবেন কোন ব্লগার লিখেছেন মাত্র এক/দুই লাইন কিন্তু কমেন্টস্‌ পেয়েছেন তিরিশ/চল্লিশেরও বেশি। আবার কেউ অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং বড় আর্টিকেল লিখেও কোন কমেন্টস্‌ পায়নি। এই সবই হয় লেখার বিষয় এবং বৈচিত্রের কারনে।


[*] বিভিন্ন ফোরামে অংশগ্রহন করুন। অনেকেই ছদ্মনামে ব্লগিং করে। ঐ নামেই হয়তো তারা জনপ্রিয়। কিন্তু নিজেকে তুলে ধরুন। বিভিন্ন ফোরামে উপস্থাপন করুন আপনার লেখার বিষয়। ফোরামের সদস্যদের ভাল লাগলে তারাও নিয়মিত আপনার ব্লগ ভিজিট করবে।


[*] আপনার ব্লগ বিভিন্ন ওয়েব ডাইরেক্টরিতে সাবমিট করুন। অনেকে বিনামূল্যে এই সুবিধা দেয়। ঐ সব ডাইরেক্টরিতে রেজিস্ট্রেশন করুন। আপনার ব্লগ কোন ক্যাটাগরীতে পরে তা ঠিক করুন। তাদের ছোট্ট বাটন আকারের বিজ্ঞাপন আপনার ব্লগের কোথাও বসিয়ে (পেস্ট করে) আপনার ব্লগ এড্ড্রেস (url) তাদের সাথে বিনিময় করুন। এতে তারা আপনার ব্লগ কে কোন সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিট করবে।


[*] ব্লগ নিয়মিত আপডেট করুন বা নতুন কিছু লেখুন। অনিয়মিত যেন নিয়মিত না হয় সেদিকে বিশেষ খেয়াল রাখুন। কোন কারনে কিছুদিন লিখতে না পারলে নতুন লেখায় ধারনা দিন ঐ সময়ে কি করেছেন। তাহলে পাঠক এটাকে স্বাভাবিক ভাবে নেবে।


[*] লিখুন আপনি নিজে কিভাবে ব্লগিং করছেন। কিভাবে শুরু করলেন, পপুলার হলেন, ভিজিটর বাড়ালেন সব খোলা খুলি লিখুন। ব্লগিং এ সবার অধিকার সমান। আপনার লেখায় অন্যকে ব্লগিং এ উৎসাহী করুন এবং পরামর্শ দিন।


[*] নতুন কিছু জানলে বা ব্রেকিং নিউজ পেলে সঙ্গে সঙ্গে আপনার ব্লগে পোস্ট করুন।


[*] ব্লগে কোন প্রতিযোগিতা রাখতে পারেন। আপনি কোন প্রশ্ন করবেন এবং কমেন্টস এর ঘরে ভিজিটিররা উত্তর দিবে। সময় বেঁধে দিবেন। যার সঠিক উত্তর আগে পাবেন সেই প্রথম। প্রশ্নগুলো মজার হলে সবাই অংশগ্রহনে উৎসাহ পাবে।


[*] খুবই ভাল মানের লেখার চেয়ে প্রত্যেক লেখার একই মান ধরে রাখুন। তাহলে ঐ মানসিকতা সম্পন্ন সকল পাঠক নিয়মিত আপনার ব্লগ ভিজিট করবে।


[*] ব্লগের নতুন পোস্টের লেবেল/ট্যাগে ঐ লেখা সম্পর্কিত শব্দ ব্যাবহার করতে ভুলবেন না।


[*] অনেক ওয়েবসাইটে বিনামূল্যে বিজ্ঞাপন (Free classified) দেওয়া যায়। সেই সব ওয়েবসাইটে আপনার ব্লগের এড্ড্রেস (url) দিয়ে বিজ্ঞাপন দিন।


[*] ইন্টারনেট ব্যাবহার করে এমন পরিচিত সবাইকে ই-মেইলের মাধ্যমে আপনার ব্লগের কথা জানান এবং এড্ড্রেস (url) দিন।


[*] ব্লগে কাউকে হেয় করবেন না। কোন ব্যাক্তি, দেশ, জাতি, ধর্ম নিয়ে কোন আপত্তিজনক লেখা এবং পোস্ট করবেন না।


[*] চেনা পরিচিত সবার সম্মানসূচক প্রশংসা, কৃতজ্ঞতা এবং ধন্যবাদ প্রকাশ করে ব্লগে পোস্ট করুন। বিভিন্ন বিশেষ দিনে (জন্মদিন বা ম্যারেজ ডে) ব্যাক্তিগত ভাবে প্রত্যেক কে আলাদা করে অভিনন্দন জানান। দেখবেন তারা নিজেরা আপনার ব্লগ দেখবে, তাদের সম্পর্কে আপনার প্রশংসা অন্যকে দেখাবে এবং তাদের চেনা জানা অন্যদেরও দেখতে বলবে। তারা সবাই পরোক্ষভাবে আপনার ব্লগ প্রচারের ভুমিকা রাখবে।


[*] ব্লগ কে আকর্ষনীয় রাখতে সবসময় পোস্টের লিখিত বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ছবি দিতে ভুলবেন না। ছবি সহ ব্লগ, ছবিহীন এর চেয়ে অনেক বৈচিত্রপূর্ন।


ব্লগ আপনার মন মানসিকতার প্রতিচ্ছ্ববি। ব্লগ দেখেই বোঝা যাবে আপনি কী চিন্তা করছেন। তাই ব্লগ কে পরিচ্ছন্ন এবং সুস্থ রাখুন।

শেয়ার করুন

Twitter Delicious Facebook Digg Stumbleupon Favorites More